ইন্দোনেশিয়ায় পশুখাদ্যের জন্য গমের চাহিদা কমেছে। অন্যদিকে দেশটিতে বেড়েছে অভ্যন্তরীণ চাল উৎপাদন। তাই ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে দেশটির গম ও চাল আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে কমতে পারে। এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস (এফএএস)। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন ডটকম।
ইন্দোনেশিয়ায় পোলট্রি মাংসের চাহিদা কমেছে। ফলে পশুখাদ্য উৎপাদনে গমের চাহিদাও কমে এসেছে। এফএএস জানায়, ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে দেশটি ১ কোটি ২৯ লাখ টন গম আমদানি করতে পারে, যা আগের বিপণন বর্ষের তুলনায় ৮ শতাংশ কম।
ইন্দোনেশিয়ার সব গম আমদানির ৩২ শতাংশ অস্ট্রেলিয়া ও ২০ শতাংশ কানাডা থেকে আসে। এ আমদানির বেশির ভাগ অংশই যায় দেশটিতে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্লান্ট পিটি বোগাসারি ফ্লাওয়ার মিলসে। এ মিলের প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজার টন উৎপাদনক্ষমতা রয়েছে।
এফএএস আরো জানায়, ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে ইন্দোনেশিয়ার চাল আমদানি কমতে পারে আগের বিপণন বর্ষের তুলনায় ৭৪ শতাংশ। মোট আমদানি নেমে আসতে পারে ১০ লাখ টনে, যা ২০২৩-২৪ বিপণন বর্ষের ৩৯ লাখ টনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কম।
সংস্থাটির মতে, ইন্দোনেশিয়ায় এ সময় অভ্যন্তরীণ চাল উৎপাদন ৩ শতাংশ বাড়তে পারে, যা আমদানি কমার পেছনে ভূমিকা রাখবে। এ সময় মোট উৎপাদন পৌঁছতে পারে ৩ কোটি ৪০ লাখ টনে।